Bikes Compare

শখের মোটরসাইকেলের জন্য আছে ব্যাংক ঋণ

শখের মোটরসাইকেলের জন্য আছে ব্যাংক ঋণ

শখের মোটরসাইকেলের জন্য আছে ব্যাংক ঋণ

সময়ের প্রয়োজনে ধীরে ধীরে মোটরসাইকেল ঋণ চালু করেছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। গ্রাহকেরাও সহজে এই ঋণ পাচ্ছেন।

যেখানে ব্যবসা রয়েছে, ব্যাংক সেখানে সেবা নিয়ে হাজির হয়েছে। সারা বিশ্বে ব্যাংকের ব্যবসার ধরন এমনই। বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়েছে। এই যেমন গাড়ি কেনার জন্য ব্যাংকগুলো বেশ আগে থেকে ঋণ দিয়ে এলেও মোটরসাইকেল ঋণে তেমন আগ্রহী ছিল না। সময়ের প্রয়োজনে ধীরে ধীরে মোটরসাইকেল ঋণ চালু করেছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। গ্রাহকেরাও সহজে এই ঋণ পাচ্ছেন। ঋণের আকার সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা। আর গ্রাহকদের গড় ঋণের পরিমাণ ১ লাখ টাকা।

মোটরসাইকেল কিনতে সবার নিজের টাকা থাকে না, আবার পরিবারও সবাইকে সহায়তা করে না। তাঁদের জন্য বড় সুযোগ এনেছে মোটরসাইকেল বা বাইক ঋণ।

জানা গেছে, বর্তমানে বেসরকারি খাতের দি সিটি, প্রাইম ও ব্র্যাক ব্যাংক মোটরসাইকেল ঋণ দিচ্ছে। এ ছাড়া ইস্টার্ণ, উত্তরা ব্যাংকও মোটরসাইকেল ঋণ দিতে নতুন সেবা পণ্য এনেছে। ঋণের আকার কম হওয়ায় মোটরসাইকেল ঋণে সুদহারও বেশি। ব্যাংক ভেদে সুদহার ৯ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত। আর ঋণ পরিশোধ করা যায় ৩ বছর পর্যন্ত। ব্যাংকগুলো প্রায় ৫০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে। একটি মোটরসাইকেলের দামের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেয় ব্যাংকগুলো।

প্রাইম ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এন এম মাহফুজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যস্ত জীবনে চলাফেলার স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মোটরসাইকেল প্রয়োজনীয় একটি বাহন। তাই গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রাইম ব্যাংক চালু করে মোটরসাইকেল ফাইন্যান্সিং সুবিধা। যার মাধ্যমে সহজেই কেনা যায় নতুন মোটরসাইকেল। এর ফলে নতুন মোটরসাইকেল কেনা এখন গ্রাহকদের সাধ্যের মধ্যে চলে এসেছে।’

বাজারভিত্তিক সুদে ব্যাংকগুলো তিন বছর পর্যন্ত কিস্তিতে এ ঋণ দিচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে দশমিক ৫ থেকে দেড় শতাংশ পর্যন্ত সেবা মাশুল। এই ঋণ নিতে ইচ্ছুক যে কেউ সরাসরি ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে ঋণ আবেদন করতে পারেন।

জানা গেছে, চাকরিজীবী, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও বাড়ির মালিক এ ঋণের জন্য আবেদন করতে পারেন। কোনো কোনো ব্যাংক শিক্ষার্থীদেরও এই ঋণ দিচ্ছে। বেতনভোগীদের ক্ষেত্রে যাঁদের মাসিক আয় ২০ হাজার টাকা, তাঁরাই এই ঋণ পাচ্ছেন। আর ব্যবসায়ী ও বাড়ির মালিকদের ক্ষেত্রে যাঁদের মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা, তাঁরা এই ঋণ পাচ্ছেন।

বাজারভিত্তিক সুদে ব্যাংকগুলো তিন বছর পর্যন্ত কিস্তিতে এ ঋণ দিচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে দশমিক ৫ থেকে দেড় শতাংশ পর্যন্ত সেবা মাশুল। এই ঋণ নিতে ইচ্ছুক যে কেউ সরাসরি ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে ঋণ আবেদন করতে পারেন। আবার মোটরসাইকেল শোরুমেও ঋণ আবেদনে ব্যবস্থা আছে। অন্য ঋণের মতো মোটরসাইকেল ঋণেও সব ধরনের নথি জমা দিতে হয়।

রাজধানীর বাংলামোটরের বিভিন্ন মোটরসাইকেলের শোরুম ঘুরে দেখা গেছে, কিছু শোরুমে বিভিন্ন ব্যাংকের মোটরসাইকেল ঋণের ব্যানার ঝুলছে। গ্রাহকেরা আগ্রহী হলে শোরুমের কর্মীরাই ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে দিচ্ছেন।

একজন গ্রাহকের ঋণ আবেদনের জন্য প্রয়োজন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ই-টিআইএন ও ব্যবসায়িক কার্ড বা অফিস আইডির ফটোকপি। এ ছাড়া বেতন বা আয়ের সনদ, পরিষেবা বিলের কপি, বাইকের দামের কোটেশন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও যেকোনো ব্যাংকের সিকিউরিটি চেক জমা দিতে হয়।

এর পাশাপাশি ব্যাংকগুলো এখন সরাসরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করছে। যেমন সুজুকি ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল কিনে সিটি ব্যাংকের অ্যামেক্স ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহকেরা ৩৪ মাসে টাকা পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছেন। আবার ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল কিনতে ঋণ দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। এ জন্য এসিআই ও ব্র্যাক ব্যাংক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

একজন গ্রাহকের ঋণ আবেদনের জন্য প্রয়োজন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ই-টিআইএন ও ব্যবসায়িক কার্ড বা অফিস আইডির ফটোকপি। এ ছাড়া বেতন বা আয়ের সনদ, পরিষেবা বিলের কপি, বাইকের দামের কোটেশন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও যেকোনো ব্যাংকের সিকিউরিটি চেক জমা দিতে হয়। ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এবং বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মালিকের ভাড়ার ডকুমেন্ট জমা দিতে হয়।

Comments (0)

Find Bikes & Scooters

Top Brands

Search Bikes

Recent Reviews